খ নং প্রশ্নের উত্তর
মাসুম এন্টারপ্রাইজ
মাল খতিয়ান হিসাব (ভারযুক্ত গড় পদ্ধতি)
| তারিখ | বিবরণ | প্রাপ্তি / ক্রয় | ইস্যু / বিক্রয় | উদ্বৃত্ত / মজুদ | ||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| পরিমাণ (একক) |
দর (টাকা) |
মূল্য (টাকা) |
পরিমাণ (একক) |
দর (টাকা) |
মূল্য (টাকা) |
পরিমাণ (একক) |
দর (টাকা) |
মূল্য (টাকা) |
||
| জানু: ০১ | প্রারম্ভিক উদ্বৃত্ত | - | - | - | - | - | - | ৫০০ | ১০.০০ | ৫,০০০ |
| ফেব্রু: ১৫ | ক্রয় | ৭০০ | ১২.০০ | ৮,৪০০ | - | - | - | ১,২০০ | ১১.১৭ | ১৩,৪০০ |
| জুন: ২০ | ক্রয় | ৮০০ | ১৩.০০ | ১০,৪০০ | - | - | - | ২,০০০ | ১১.৯০ | ২৩,৮০০ |
| আগস্ট: ২৫ | ক্রয় | ৪০০ | ১৪.০০ | ৫,৬০০ | - | - | - | ২,৪০০ | ১২.২৫ | ২৯,৪০০ |
| ডিসেম্বর: ৩০ | ক্রয় | ৩০০ | ১৫.০০ | ৪,৫০০ | - | - | - | ২,৭০০ | ১২.৫৬ | ৩৩,৯০0 |
| ডিসেম্বর: ৩১ | বিক্রয় (ধরি) | - | - | - | ২,২০০ | ১২.৫৬ | ২৭,৬৩২ | ৫০০ | ১২.৫৬ | ৬,২৬৮ |
উত্তর: ভারযুক্ত গড় পদ্ধতিতে বিক্রীত পণ্যের ব্যয় = ২৭,৬৩২ টাকা।
(বিঃদ্রঃ ভগ্নাংশ রাউন্ডিং বা আসন্ন মানের কারণে উত্তরের সামান্য কয়েক টাকা এদিক সেদিক হতে পারে। যেমন: ৩৩,৯০০ ÷ ২,৭০০ × ২,২০০ = ২৭,৬২২ টাকাও লেখা যায়। এখানে দর ১২.৫৬ ধরে গুণ করা হয়েছে।)
অংকটি কীভাবে করা হলো (বিশদ নিয়মাবলী):
ভারযুক্ত গড় পদ্ধতি (Weighted Average Method) এর মূল নিয়ম:
এই পদ্ধতিতে যখনই গুদামে নতুন মাল বা পণ্য আসে (ক্রয় করা হয়), তখন আগের মজুদের মূল্যের সাথে নতুন কেনা মালের মূল্য যোগ করে মোট মূল্য বের করতে হয়। এরপর মোট মূল্যকে মোট পরিমাণ দিয়ে ভাগ করে একটি নতুন গড় দর (Rate) বের করতে হয়। বিক্রয়ের সময় সবশেষে যে গড় দরটি থাকে, সেই দরেই পণ্য ইস্যু বা বিক্রি দেখাতে হয়।
১. প্রারম্ভিক উদ্বৃত্ত (জানুয়ারি ০১):
প্রশ্নে ৫০০ একক দেওয়া আছে যার মোট মূল্য ৫,০০০ টাকা। সুতরাং দর হবে = ৫,০০০ ÷ ৫০০ = ১০ টাকা। এটি সরাসরি উদ্বৃত্তের ঘরে বসবে।
২. ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখের হিসাব:
নতুন ক্রয় = ৭০০ একক, ১২ টাকা দরে, মূল্য ৮,৪০০ টাকা।
এখন গুদামে মোট মাল = আগের ৫০০ + নতুন ৭০০ = ১,২০০ একক।
মোট মূল্য = আগের ৫,০০০ + নতুন ৮,৪০০ = ১৩,৪০০ টাকা।
নতুন গড় দর = ১৩,৪০০ ÷ ১,২০০ = ১১.১৬৬... (আসন্ন মান ১১.১৭ টাকা)।
৩. জুনের ২০ ও আগস্টের ২৫ তারিখের হিসাব:
একইভাবে আগের মজুদের সাথে নতুন ক্রয়ের পরিমাণ এবং মূল্য যোগ করে নতুন গড় দর বের করা হয়েছে। (যেমন জুনে: ১৩,৪০০+১০,৪০০ = ২৩,৮০০ টাকা; পরিমাণ ১২০০+৮০০ = ২০০০ একক; দর = ২৩,৮০০÷২০০০ = ১১.৯০ টাকা)।
৪. ডিসেম্বরের ৩০ তারিখের হিসাব:
সবশেষ ক্রয়। মোট পরিমাণ দাঁড়ালো ২,৭০০ একক এবং মোট মূল্য ৩৩,৯০০ টাকা।
চূড়ান্ত গড় দর = ৩৩,৯০০ ÷ ২,৭০০ = ১২.৫৫৫... (আসন্ন মান ১২.৫৬ টাকা)।
৫. বিক্রয়ের এন্ট্রি এবং বিক্রীত পণ্যের ব্যয় নির্ণয়:
প্রশ্নে সারা বছরের মোট বিক্রয় ২,২০০ একক বলা আছে, কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া নেই। নিয়ম হলো, বিক্রয়ের তারিখ দেওয়া না থাকলে তাকে বছরের শেষ দিনের (ডিসেম্বর ৩১) লেনদেন হিসেবে ধরে নিতে হয়।
তাই ডিসেম্বর ৩১ তারিখে ২,২০০ একক পণ্য সর্বশেষ গড় দর ১২.৫৬ টাকা দরে ইস্যু বা বিক্রি দেখানো হয়েছে।
সুতরাং, বিক্রীত পণ্যের ব্যয় = ২,২০০ × ১২.৫৬ = ২৭,৬৩২ টাকা।
নোট: উদ্বৃত্তের ঘরের শেষের মূল্যটি (৬,২৬৮ টাকা) মিলানোর জন্য ৩৩,৯০০ টাকা থেকে ২৭,৬৩২ টাকা বিয়োগ করে বসানো হয়েছে।

0 মন্তব্যসমূহ